মাদার টেরেসা বাংলা কারেন্ট অ্যাফেয়ারস সেট


সংক্ষেপে আলোচনা :

             : মাদার টেরেসা বাংলা কারেন্ট অ্যাফেয়ারস সেট :


ভূমিকা : পৃথিবীতে আর্তের সেবায় যে ক'জন মহীয়সী মহিলা জন্মগ্রহণ করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো মাদার টেরেসা।
জন্মঃ ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ২৭ আগস্ট যুগােশ্লাভিয়ার স্কোপেজ শহরে । প্রকৃত
নাম অ্যাগনেস গােনশা (গােনস্কা) বােজাসিউ।
কর্মজীবন : কৃষক পরিবারে জন্মেও লেখাপড়ার সঙ্গেই ধর্মচর্চায় তার আলাদা টান ছিল—মিশনারি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন—ফলস্বরূপ মাত্র ১৮ বছর বয়সেই ।
পরিবারের সঙ্গ ছেড়ে তিনি চলে আসেন কলকাতায়—প্রথমে শিক্ষকতা—তারপর অসহায়, নিপীড়িত ও অনাথ শিশুদের সেবায় নিজ জীবন উৎসর্গ করলেন তৈরি করলেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি—পৃথিবীর অন্যত্রও সেবাকেন্দ্র গড়েন কলকাতায়
সদর দপ্তর—‘নির্মল হৃদয়’ ও ‘নির্মলা ভবন’ গঠন।
পুরস্কার লাভ: সেবাকাজের জন্য দেশ-বিদেশের অসংখ্য পুরস্কার লাভ–১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টাব্দে ‘নােবেল পুরস্কার লাভ।
উপসংহার : বিদেশিনি হয়েও ভারতের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেন—১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দের ৫ সেপ্টেম্বর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মাদার টেরেসা বাংলা  জীবনী কারেন্ট অ্যাফেয়ারস

প্রঃ প্রেম, শান্তি ও আশ্রয়ের প্রতীক মাদার টেরিজা কবে কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উঃ ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট যুগােশ্লাভিয়ার স্কোপজে।
প্রঃ তাঁর পিতা ও মাতার নাম কী ?
উঃ নিকোলাস বােজাশিউ ও মাতা ড্ৰানাফিল বার্নাই।
প্রঃ মাদার টেরিজার পূর্ব নাম কী ?
উঃ অ্যাগনেস গােনশা।
প্রঃ তিনি ধর্মযাজক হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কবে?
উঃ স্কুলে পাঠকালীন।
প্রঃ স্কুলে থাকাকালীন তিনি কোন্ সােসাইটির সদস্যা হন ?
উঃ মেডালিটি সােসাইটির।
প্রঃ তিনি কাদের সঙ্গে কত বছর বয়সে কলকাতায় আসেন ?
উঃ আয়ারল্যান্ডের লরেটো সন্ন্যাসিনীদের সঙ্গে ১৮ বছর বয়সে।
প্রঃ কলকাতায় আসার পর তিনি কোন্ স্কুলে শিক্ষিকার পদে যােগ দেন?
উঃ লােরেটো এন্টালির “সেন্ট মেরিজ স্কুলে”।
প্রঃ উক্ত স্কুলে তিনি কোন্ বিষয়ে পড়াতেন?
উঃ ভূগােল।
প্রঃ উক্ত স্কুলে শিক্ষিকা ও অধ্যক্ষ পদে তিনি কত বছর কর্মরত ছিলেন ?
উঃ ১৭ বছর।
প্রঃ পাটনায় গিয়ে তিনি কিসের ট্রেনিং নিয়ে আসেন?
উঃ মেডিক্যাল ট্রেনিং।
প্রঃ তিনি কবে কোথায় ঈশ্বরের আদেশ শুনতে পান?
উঃ ১৯৪৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ট্রেনে চড়ে দার্জিলিং যাবার পথে।
প্রঃ তিনি কবে কোথা থেকে মিশনারিজ কাজকর্ম শুরু করেন ?
উঃ ১৯৪৮ সালে ১৪নং, ক্রিক লেনের একটি ছােট ঘর থেকে।
প্রঃ তিনি প্রথম কত জন সহযােগিনী নিয়ে মিশনারিজ কাজ শুরু করেন?
উঃ মাত্র ১০ জন সহযােগিনী নিয়ে।
প্রঃ মিশনারিজ কর্মে তিনি কবে কাকে প্রথম সঙ্গিনী হিসাবে পেয়েছিলেন?
উঃ ১৯৪৯ সালে সুভাষিণী দাসকে।
প্রঃ মহামান্য পােপের অনুমতিক্রমে তিনি কবে কোথায় প্রতিষ্ঠা করেন “মিশনারিজ
অফ চ্যারিটি” সংস্থা?
উঃ ১৯৫০ সালে ক্রিক লেন ত্যাগ করে লােয়ার সার্কুলার রােডে।
প্রঃ লােয়ার সার্কুলার রােডের বর্তমান নাম কী ?
উঃ আচার্য জগদীশ চন্দ্র বােস রােড।
প্রঃ তিনি কবে কোথায় আর্ত মানুষের জন্য একটি সেবাকেন্দ্র গড়ে তােলেন ?
উঃ ১৯৫২ সালে কালীঘাট মন্দিরের কাছে একটি বাড়িতে।
প্রঃ আর্ত মানুষের সেবায় নিয়ােজিত উক্ত সেবাকেন্দ্রের নাম কী ?
উঃ “নির্মল হৃদয়”।
প্রঃ ১৯৫০ সালে তার গড়া “মিশনারিজ অফ চ্যারিটি” সংস্থার বর্তমান নাম কী ?
উঃ “মাদার হাউস”।
প্রঃ তিনি কবে ও কোথায় পরিত্যক্ত শিশুদের আশ্রয় দানের উদ্দেশ্যে একটি আশ্রম
স্থাপন করেন?
উঃ ১৯৫৩ সালে মাদার হাউসের পাশে।
প্রঃ পরিত্যক্ত শিশুদের উদ্দেশ্যে তার গড়ে তােলা আশ্রমটির নাম কী ?
উঃ “শিশুভবন”।
প্রঃ তিনি ভারতের কোথায় কোথায় কুষ্ঠরােগীদের আশ্রম গড়ে তুলেছেন?
উঃ টিটাগড়, আসানসােল ও দিল্লিতে।
প্রঃ তিনি কবে ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন ?
উঃ ১৯৬২ সালে।
প্রঃ তিনি কবে ‘পদ্মশ্রী’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন?
উঃ ১৯৬২ সালে।
প্রঃ তিনি কবে ‘ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে সম্মানিত হন?
উঃ ১৯৬২ সালে।
প্রঃ তিনি কবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পুরস্কার “নােবেল (শান্তি) পুরস্কার লাভ করেন =
উঃ ১৯৭৯ সালে।
প্রঃ তিনি কবে ভারতের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘ভারতরত্ন' উপাধিতে সম্মানিত
হয়েছেন?
উঃ ১৯৮০ সালে।
প্রঃ পৃথিবীর কটি দেশে তার প্রতিষ্ঠানের অন্তত ১০০টি শাখা রয়েছে?
উঃ ৫২টি দেশে।
প্রঃ শুধুমাত্র কলকাতাতেই তার গড়া কটি সেবাকেন্দ্র আছে?
উঃ প্রায় ৭০টি।
প্রঃ আর্তের সেবায় নিয়ােজিত মাদার টেরিজার জীবনের অন্তিম লগ্ন কবে ও কোথায় হাজির হয় ?
উঃ ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মাদার হাউসে।


 ✅ আরো দেখুন ..........




Post a Comment

If You Have Any Doubts, Please Let Me Know

নবীনতর পূর্বতন